গত মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) ভোর থেকে গাজায় ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, এই হামলায় এখন পর্যন্ত চার শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে খান ইউনিসের কাছে আরও ১০ জন নিহত হয়েছেন, জানিয়েছেন উদ্ধারকর্মীরা।
বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ ও সংস্থা যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানালেও ইসরায়েল তা উপেক্ষা করেই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে ফিলিস্তিনিরা আবারও ধ্বংসস্তূপের মধ্যে প্রিয়জনের মরদেহ খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন।
শেষ সতর্কবার্তা
গাজার জনগণের উদ্দেশে এক ভিডিওবার্তায় ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেন, "এটি শেষ সতর্কবার্তা। মার্কিন প্রেসিডেন্টের পরামর্শ গ্রহণ করুন। জিম্মিদের ফিরিয়ে দিন এবং হামাসকে সরিয়ে দিন। তাহলে আপনাদের জন্য অন্যান্য বিকল্প উন্মুক্ত হবে—যার মধ্যে অন্য দেশে চলে যাওয়ার সুযোগও রয়েছে।"তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক বক্তব্য উল্লেখ করে বলেন, গাজার জনগণের সুন্দর ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে, তবে তা কেবল তখনই সম্ভব, যদি তারা জিম্মিদের মুক্তি দেয়। যদি না দেয়, তবে তারা ধ্বংস হয়ে যাবে!
ইসরায়েলের দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েল থেকে ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়। কয়েক দফায় মুক্তির পর এখন ৫৮ জন জিম্মি রয়ে গেছেন, যাদের মধ্যে ৩৪ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুসারে, সোমবার (১৭ মার্চ) পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৪৮,৫৭০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নতুন অভিযানে এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।